Dhaka , Tuesday, 27 October 2026
সর্বশেষ
ডুমুরিয়ায় মানকচু বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক ডিলার নিয়োগে চরম দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগে যশোরে বিরোধী দলের ৫ এমপির সংবাদ সম্মেলন ডহুরী-কাকবাধালে রশি টানা খেলায় উৎসাহ দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম, খেলোয়াড়দের দিলেন টি-শার্ট চৌগাছায় সারের ডিলারশিপ পেতে জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে ইমামদের প্রশিক্ষণ ভাতা কম দেওয়ার অভিযোগ, প্রতি ব্যাচে এক লাখ টাকা করে আত্মসাৎ* রাজপথের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করা ত্যাগের রাজনীতি: সব যোগ্যতা পেরিয়ে ডিলারশিপ পেয়েও অপপ্রচারের মুখে প্রবীণ বিএনপি নেতার পরিবার গাজীপুরে কারখানা কর্মকর্তার ধমকের পর ফ্লোরে ঢলে পড়ে নারী পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু: ছুটি না দেওয়া ও অবহেলার অভিযোগ যশোরে ঘর থেকে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার লালনের দর্শন মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অনন্য দৃষ্টান্ত: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী

চট্টগ্রামে ইমামদের প্রশিক্ষণ ভাতা কম দেওয়ার অভিযোগ, প্রতি ব্যাচে এক লাখ টাকা করে আত্মসাৎ*

  • Reporter Name
  • Update Time : 01:08 am, Thursday, 22 October 2026
  • 284 Time View

 

স্টাফ রিপোর্টার

ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী, চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের প্রাপ্য ভাতা থেকে জনপ্রতি এক থেকে দেড় হাজার টাকা কম দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ একাধিক বিকাশ অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর ও উত্তোলনের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। কিভাবে প্রতি ৪৫ দিনের ব্যাচে ১ লক্ষ টাকা করে আত্মসাৎ হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একাডেমির উপপরিচালক কৃষিবিদ আনিসুজ্জামান ও প্রশিক্ষণ সহকারী কামরুজ্জামান এবং ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক (প্রশাসন) শাহ নজরুল ইসলাম সহ কয়েকজন প্রভাবশালী পরিচালক জড়িত বলে জানা গেছে। প্রতি ৪৫ দিনের ব্যাচে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতি ব্যাচে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রায় ১০০ জন ইমামের প্রত্যেকের ভাতা থেকে এক হাজার টাকা করে কেটে রাখা হলে মোট এক লাখ টাকা কম দেওয়া হয়। পরে ওই অর্থ নিজস্ব বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণাধীন একাধিক বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে উত্তোলন এবং নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এভাবে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে আসছে বলেও অভিযোগকারীদের দাবি।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণের শেষ দিনে ইমামদের জানানো হয়, তাঁদের ভাতা বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। এরপর তাঁদের বাড়ি চলে যেতে বলা হয়। বাড়িতে পৌঁছানোর পর অনেকে প্রাপ্য অর্থের তুলনায় এক থেকে দেড় হাজার টাকা কম পাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। দূরে চলে যাওয়ায় অনেকের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ বা প্রতিকার চাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ইমামদের ভাতার হিসাব করে প্রয়োজনীয় অর্থ উত্তোলন ও ব্র্যাক ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর বিকাশে অর্থ পাঠানোর তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এ সময় তালিকায় ইমামদের নামের পাশে প্রাপ্য অর্থের চেয়ে কম পরিমাণ উল্লেখ করে অবশিষ্ট অর্থ নির্দিষ্ট কয়েকটি বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
সর্বশেষ ১৯ অক্টোবর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের ভাতা প্রদানের সময় ও একই ঘটনা ঘটে। ইমামদের ভাতা বাবদ ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৬০০ টাকা ব্র্যাক ব্যাংকে পাঠানো হয় । পরবর্তী ব্র্যাক ব্যাংক থেকে বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠানোর সময়ে তালিকায় কয়েকটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট অন্তর্ভুক্ত করে সেগুলোতে মোট এক লাখ টাকা স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয় ।

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ১৯ অক্টোবরের ব্যাংক ও বিকাশ লেনদেনের নথি, ভাতা প্রদানের তালিকা, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলোর মালিকানা এবং অর্থের চূড়ান্ত প্রাপক শনাক্ত করে এই তথ্য জানা গেছে। একই ধরনের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে ঘটে আসছে বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র জানিয়েছে।

Tag :
About Author Information

Popular Post

ডুমুরিয়ায় মানকচু বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

চট্টগ্রামে ইমামদের প্রশিক্ষণ ভাতা কম দেওয়ার অভিযোগ, প্রতি ব্যাচে এক লাখ টাকা করে আত্মসাৎ*

Update Time : 01:08 am, Thursday, 22 October 2026

 

স্টাফ রিপোর্টার

ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী, চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের প্রাপ্য ভাতা থেকে জনপ্রতি এক থেকে দেড় হাজার টাকা কম দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ একাধিক বিকাশ অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর ও উত্তোলনের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। কিভাবে প্রতি ৪৫ দিনের ব্যাচে ১ লক্ষ টাকা করে আত্মসাৎ হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একাডেমির উপপরিচালক কৃষিবিদ আনিসুজ্জামান ও প্রশিক্ষণ সহকারী কামরুজ্জামান এবং ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক (প্রশাসন) শাহ নজরুল ইসলাম সহ কয়েকজন প্রভাবশালী পরিচালক জড়িত বলে জানা গেছে। প্রতি ৪৫ দিনের ব্যাচে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতি ব্যাচে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রায় ১০০ জন ইমামের প্রত্যেকের ভাতা থেকে এক হাজার টাকা করে কেটে রাখা হলে মোট এক লাখ টাকা কম দেওয়া হয়। পরে ওই অর্থ নিজস্ব বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণাধীন একাধিক বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে উত্তোলন এবং নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এভাবে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে আসছে বলেও অভিযোগকারীদের দাবি।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণের শেষ দিনে ইমামদের জানানো হয়, তাঁদের ভাতা বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। এরপর তাঁদের বাড়ি চলে যেতে বলা হয়। বাড়িতে পৌঁছানোর পর অনেকে প্রাপ্য অর্থের তুলনায় এক থেকে দেড় হাজার টাকা কম পাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। দূরে চলে যাওয়ায় অনেকের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ বা প্রতিকার চাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ইমামদের ভাতার হিসাব করে প্রয়োজনীয় অর্থ উত্তোলন ও ব্র্যাক ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর বিকাশে অর্থ পাঠানোর তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এ সময় তালিকায় ইমামদের নামের পাশে প্রাপ্য অর্থের চেয়ে কম পরিমাণ উল্লেখ করে অবশিষ্ট অর্থ নির্দিষ্ট কয়েকটি বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
সর্বশেষ ১৯ অক্টোবর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের ভাতা প্রদানের সময় ও একই ঘটনা ঘটে। ইমামদের ভাতা বাবদ ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৬০০ টাকা ব্র্যাক ব্যাংকে পাঠানো হয় । পরবর্তী ব্র্যাক ব্যাংক থেকে বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠানোর সময়ে তালিকায় কয়েকটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট অন্তর্ভুক্ত করে সেগুলোতে মোট এক লাখ টাকা স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয় ।

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ১৯ অক্টোবরের ব্যাংক ও বিকাশ লেনদেনের নথি, ভাতা প্রদানের তালিকা, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলোর মালিকানা এবং অর্থের চূড়ান্ত প্রাপক শনাক্ত করে এই তথ্য জানা গেছে। একই ধরনের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে ঘটে আসছে বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র জানিয়েছে।