Dhaka , Tuesday, 27 October 2026
সর্বশেষ
ডুমুরিয়ায় মানকচু বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক ডিলার নিয়োগে চরম দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগে যশোরে বিরোধী দলের ৫ এমপির সংবাদ সম্মেলন ডহুরী-কাকবাধালে রশি টানা খেলায় উৎসাহ দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম, খেলোয়াড়দের দিলেন টি-শার্ট চৌগাছায় সারের ডিলারশিপ পেতে জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে ইমামদের প্রশিক্ষণ ভাতা কম দেওয়ার অভিযোগ, প্রতি ব্যাচে এক লাখ টাকা করে আত্মসাৎ* রাজপথের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করা ত্যাগের রাজনীতি: সব যোগ্যতা পেরিয়ে ডিলারশিপ পেয়েও অপপ্রচারের মুখে প্রবীণ বিএনপি নেতার পরিবার গাজীপুরে কারখানা কর্মকর্তার ধমকের পর ফ্লোরে ঢলে পড়ে নারী পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু: ছুটি না দেওয়া ও অবহেলার অভিযোগ যশোরে ঘর থেকে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার লালনের দর্শন মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অনন্য দৃষ্টান্ত: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী

*আয়কর কর্মকর্তা সাইফুলের সম্পদের তেলেসমাতি, দুদকের অনুসন্ধানে একাধিক ফ্ল্যাট-বাড়ি-জমি*

  • Reporter Name
  • Update Time : 02:10 pm, Tuesday, 1 September 2026
  • 70 Time View

 

_নিজস্ব প্রতিবেদক_

আয়কর বিভাগে উচ্চমান সহকারী হিসেবে চাকরি শুরু করে বর্তমানে কর অঞ্চল-৮, ঢাকার অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার পদে দায়িত্ব পালন করছেন সাইফুল ইসলাম। সরকারি চাকরির আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানে রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে একাধিক ফ্ল্যাট, পাবনায় বাড়ি-জমি, সঞ্চয়পত্রসহ বিভিন্ন সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

২০০৭ সালে উচ্চমান সহকারী পদে আয়কর বিভাগে যোগ দেন সাইফুল ইসলাম। চাকরিজীবনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার হিসেবে কর্মরত। অভিযোগ রয়েছে, তুলনামূলক সীমিত সরকারি চাকরির আয় হলেও এর মধ্যে তিনি রাজধানীসহ নিজ জেলায় বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা অনুসন্ধান শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি প্রকাশ্য অনুসন্ধানেও যায়। অনুসন্ধানকালে একাধিকবার কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা অনুসন্ধানে তার সম্পদের একটি বড় অংশের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

_দুদকের অনুসন্ধানে তিন ফ্ল্যাট_

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউন ব্লক-এ, রোড নম্বর-৮, বাড়ি নম্বর-১৮ এলাকায় সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর নামে দুটি ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া ধানমন্ডির ৩/৪০ সুলতানগঞ্জ, পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকায় তার নামে একটি ফ্ল্যাট থাকার তথ্যও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

অর্থাৎ রাজধানীর অভিজাত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তার ও তার স্ত্রীর নামে মোট তিনটি ফ্ল্যাটের তথ্য পেয়েছে দুদক-যেগুলোর মালিকানা ও সম্পদের উৎস যাচাই করা হচ্ছে। পাবনায় বাড়ি, জমি ও সঞ্চয়পত্র

নিজ জেলা পাবনার সদর উপজেলার গোগাছি গ্রামে সাইফুল ইসলামের একটি আলিশান বাড়ি রয়েছে বলেও অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে। পাশাপাশি ব্যাংকে অর্ধকোটি টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে তার।

এ ছাড়া পাবনা জেলা সদরে তার শ্বশুর আফজাল মাহমুদের নামে বহুতল বাড়ি ও কয়েক একর জমি থাকার তথ্যও দুদকের অনুসন্ধানে এসেছে। এসব সম্পদের সঙ্গে সাইফুল ইসলামের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা বা অর্থের উৎস রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করছে সংস্থাটি।

_যেসব নথি সংগ্রহ করেছে দুদক_

দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, শেয়ারবাজার, রাজউক, সিটি করপোরেশন, ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর নামে থাকা সম্পদের বিষয়ে দেওয়া ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। ব্যাংকে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে। অনুসন্ধান শেষ না হলেও মামলার মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

_স্ত্রীকে ব্যবসায়ী দেখানোর অভিযোগ_

অভিযোগ রয়েছে, সম্পদের উৎস আড়াল করতে সাইফুল ইসলাম তার স্ত্রী আল্লিকা মাহমুদকে ব্যবসায়ী হিসেবে দেখিয়েছেন। আল্লিকা মাহমুদ আগে বেসরকারি চাকরি করলেও বর্তমানে গৃহিণী।

তবে তার আয়কর নথিতে গরু মোটাতাজাকরণ ও মৎস্য ব্যবসা থেকে বছরে উল্লেখযোগ্য আয় দেখানো হয়েছে। বাস্তবে এসব ব্যবসার অস্তিত্ব বা কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। আয়কর নথিতে দেখানো এসব আয়ের উৎস ও বাস্তবতা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই চলছে বলে জানা গেছে। স্থায়ী ঠিকানা নিয়েও অভিযোগ

এ ছাড়া সাইফুল ইসলাম চাকরিতে যোগদানের সময় স্থায়ী ঠিকানা নিয়েও অসত্য তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার স্থায়ী নিবাস রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলায় হলেও চাকরির নথিতে ঢাকা বিভাগের ময়মনসিংহ জেলায় স্থায়ী ঠিকানা দেখানোর অভিযোগ রয়েছে।

_বর্তমানে কর অঞ্চল-৮-এ দায়িত্বে_

বর্তমানে সাইফুল ইসলাম কর অঞ্চল-৮, ঢাকার অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার হিসেবে সার্কেল ১৬৯ ও ১৭৬-এ দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রের দাবি, ২০২২ সালে গোয়েন্দা অনুসন্ধান শুরুর পর পরবর্তী সময়ে প্রকাশ্য অনুসন্ধান শুরু হয়। এ সময় কয়েক দফা অনুসন্ধান কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। দীর্ঘ অনুসন্ধানে সাইফুল ইসলামের সম্পদের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য ও নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়নি।

_বক্তব্য পাওয়া যায়নি_

সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে তার অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানান। তবে পরবর্তীতে তার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :
About Author Information

Popular Post

ডুমুরিয়ায় মানকচু বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

*আয়কর কর্মকর্তা সাইফুলের সম্পদের তেলেসমাতি, দুদকের অনুসন্ধানে একাধিক ফ্ল্যাট-বাড়ি-জমি*

Update Time : 02:10 pm, Tuesday, 1 September 2026

 

_নিজস্ব প্রতিবেদক_

আয়কর বিভাগে উচ্চমান সহকারী হিসেবে চাকরি শুরু করে বর্তমানে কর অঞ্চল-৮, ঢাকার অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার পদে দায়িত্ব পালন করছেন সাইফুল ইসলাম। সরকারি চাকরির আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানে রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে একাধিক ফ্ল্যাট, পাবনায় বাড়ি-জমি, সঞ্চয়পত্রসহ বিভিন্ন সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

২০০৭ সালে উচ্চমান সহকারী পদে আয়কর বিভাগে যোগ দেন সাইফুল ইসলাম। চাকরিজীবনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার হিসেবে কর্মরত। অভিযোগ রয়েছে, তুলনামূলক সীমিত সরকারি চাকরির আয় হলেও এর মধ্যে তিনি রাজধানীসহ নিজ জেলায় বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা অনুসন্ধান শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি প্রকাশ্য অনুসন্ধানেও যায়। অনুসন্ধানকালে একাধিকবার কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা অনুসন্ধানে তার সম্পদের একটি বড় অংশের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

_দুদকের অনুসন্ধানে তিন ফ্ল্যাট_

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউন ব্লক-এ, রোড নম্বর-৮, বাড়ি নম্বর-১৮ এলাকায় সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর নামে দুটি ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া ধানমন্ডির ৩/৪০ সুলতানগঞ্জ, পশ্চিম ধানমন্ডি এলাকায় তার নামে একটি ফ্ল্যাট থাকার তথ্যও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

অর্থাৎ রাজধানীর অভিজাত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তার ও তার স্ত্রীর নামে মোট তিনটি ফ্ল্যাটের তথ্য পেয়েছে দুদক-যেগুলোর মালিকানা ও সম্পদের উৎস যাচাই করা হচ্ছে। পাবনায় বাড়ি, জমি ও সঞ্চয়পত্র

নিজ জেলা পাবনার সদর উপজেলার গোগাছি গ্রামে সাইফুল ইসলামের একটি আলিশান বাড়ি রয়েছে বলেও অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে। পাশাপাশি ব্যাংকে অর্ধকোটি টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে তার।

এ ছাড়া পাবনা জেলা সদরে তার শ্বশুর আফজাল মাহমুদের নামে বহুতল বাড়ি ও কয়েক একর জমি থাকার তথ্যও দুদকের অনুসন্ধানে এসেছে। এসব সম্পদের সঙ্গে সাইফুল ইসলামের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা বা অর্থের উৎস রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করছে সংস্থাটি।

_যেসব নথি সংগ্রহ করেছে দুদক_

দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, শেয়ারবাজার, রাজউক, সিটি করপোরেশন, ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর নামে থাকা সম্পদের বিষয়ে দেওয়া ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। ব্যাংকে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে। অনুসন্ধান শেষ না হলেও মামলার মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

_স্ত্রীকে ব্যবসায়ী দেখানোর অভিযোগ_

অভিযোগ রয়েছে, সম্পদের উৎস আড়াল করতে সাইফুল ইসলাম তার স্ত্রী আল্লিকা মাহমুদকে ব্যবসায়ী হিসেবে দেখিয়েছেন। আল্লিকা মাহমুদ আগে বেসরকারি চাকরি করলেও বর্তমানে গৃহিণী।

তবে তার আয়কর নথিতে গরু মোটাতাজাকরণ ও মৎস্য ব্যবসা থেকে বছরে উল্লেখযোগ্য আয় দেখানো হয়েছে। বাস্তবে এসব ব্যবসার অস্তিত্ব বা কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। আয়কর নথিতে দেখানো এসব আয়ের উৎস ও বাস্তবতা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই চলছে বলে জানা গেছে। স্থায়ী ঠিকানা নিয়েও অভিযোগ

এ ছাড়া সাইফুল ইসলাম চাকরিতে যোগদানের সময় স্থায়ী ঠিকানা নিয়েও অসত্য তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার স্থায়ী নিবাস রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলায় হলেও চাকরির নথিতে ঢাকা বিভাগের ময়মনসিংহ জেলায় স্থায়ী ঠিকানা দেখানোর অভিযোগ রয়েছে।

_বর্তমানে কর অঞ্চল-৮-এ দায়িত্বে_

বর্তমানে সাইফুল ইসলাম কর অঞ্চল-৮, ঢাকার অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার হিসেবে সার্কেল ১৬৯ ও ১৭৬-এ দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রের দাবি, ২০২২ সালে গোয়েন্দা অনুসন্ধান শুরুর পর পরবর্তী সময়ে প্রকাশ্য অনুসন্ধান শুরু হয়। এ সময় কয়েক দফা অনুসন্ধান কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। দীর্ঘ অনুসন্ধানে সাইফুল ইসলামের সম্পদের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য ও নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়নি।

_বক্তব্য পাওয়া যায়নি_

সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে তার অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানান। তবে পরবর্তীতে তার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।