বিশেষ প্রতিনিধি:
সংরক্ষিত নারী আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও যশোর-২ আসনের বিএনপির অন্যতম প্রাণপুরুষ জনাব সাবিরা সুলতানা মুন্নী জাতীয় সংসদের কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এই আনন্দের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলাসহ সমগ্র যশোর জেলার বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে নেমে এসেছে উৎসবের আমেজ। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
কৃষিপ্রধান জেলা হিসেবে যশোরের সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতাদের মধ্যে এই নিয়োগ ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উদ্দীপনা। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মতে, সাবিরা সুলতানা মুন্নী তৃণমূলের নাড়ি বোঝেন। তিনি সংসদীয় কমিটিতে যুক্ত হওয়ায় যশোরের সার্বিক কৃষি উন্নয়ন এবং স্থানীয় কৃষকদের অধিকার রক্ষায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে। বিশেষ করে ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে বলা হয়, মাঠপর্যায়ের জনবান্ধব নেতৃত্বকে সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমেই দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত কণ্ঠে সাবিরা সুলতানা মুন্নী বলেন, “আমি মনের গভীর থেকে অত্যন্ত সন্তুষ্ট ও কৃতজ্ঞ। আমি নিজেই গ্রামের মেয়ে, আর কৃষিই আমাদের বাংলাদেশের প্রাণ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, গত ১৭ বছর এই খাতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছায়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারভিত্তিক খাত হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে গত ৬ মাসে আমাদের সরকার কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে একাধিক টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।”
নিজের আগামী দিনের কাজের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি আরও বলেন, “কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে আমার প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হবে সাধারণ কৃষকের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। কৃষক যেন উৎপাদনে প্রয়োজনীয় বীজ, সার ও অন্যান্য কাঁচামাল সঠিক উপায়ে এবং সঠিক সময়ে হাতে পান—তা নিশ্চিত করা হবে। এর পাশাপাশি, রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে যে কৃষক জমিতে ঘাম ঝরান, তাঁর উৎপাদিত ফসলের সঠিক ও ন্যায্য মূল্য যেন তাঁরা পান, সে বিষয়ে আমি সার্বক্ষণিক সজাগ থাকব। কৃষিপ্রধান এই দেশকে কৃষিতে পরিপূর্ণ স্বাবলম্বী করাই বর্তমান সরকারের মূল অঙ্গীকার। সেই মহৎ অর্জনে সহায়কের ভূমিকা পালন করতে আমি অর্পিত দায়িত্ব শতভাগ নিষ্ঠার সাথে পালন করব, ইনশাআল্লাহ।”
তৃণমূল থেকে জাতীয় রাজনীতিতে অবদান রাখা এই নেত্রীর নতুন দায়িত্ব গ্রহণে যশোরজুড়ে এখন কেবলই শুভকামনা আর প্রত্যাশার আবহ। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, তাঁর হাত ধরে এই অঞ্চলের কৃষি ও কৃষকের ভাগ্য বদলে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

Reporter Name 















