Dhaka , Tuesday, 27 October 2026
সর্বশেষ
বিএডিসি’র যুগ্মনিয়ন্ত্রককে সাময়িক বরখাস্তের হুমকি: কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ ডুমুরিয়ায় মানকচু বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক ডিলার নিয়োগে চরম দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগে যশোরে বিরোধী দলের ৫ এমপির সংবাদ সম্মেলন ডহুরী-কাকবাধালে রশি টানা খেলায় উৎসাহ দিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম, খেলোয়াড়দের দিলেন টি-শার্ট চৌগাছায় সারের ডিলারশিপ পেতে জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে ইমামদের প্রশিক্ষণ ভাতা কম দেওয়ার অভিযোগ, প্রতি ব্যাচে এক লাখ টাকা করে আত্মসাৎ* রাজপথের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করা ত্যাগের রাজনীতি: সব যোগ্যতা পেরিয়ে ডিলারশিপ পেয়েও অপপ্রচারের মুখে প্রবীণ বিএনপি নেতার পরিবার গাজীপুরে কারখানা কর্মকর্তার ধমকের পর ফ্লোরে ঢলে পড়ে নারী পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু: ছুটি না দেওয়া ও অবহেলার অভিযোগ যশোরে ঘর থেকে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

রাজনীতিতে ত্যাগের মহিমা: বাকড়া ইউনিয়নে দলের ‘সংগ্রামের কান্ডারী’ জামির হোসেনের গল্প

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:35 pm, Saturday, 19 September 2026
  • 642 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিকরগাছা (যশোর):

রাজনীতিতে কিছু মানুষ থাকেন, যারা ক্ষমতার আলোর চেয়ে দলীয় সংকটের অন্ধকারেই বেশি জ্বলে ওঠেন। সুসময়ে সুফলভোগীদের ভিড়ে তাদের হয়তো প্রচারের আলো কিছুটা আড়ালে পড়ে, কিন্তু দলের নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে তারা থাকেন হিমালয়ের মতো অবিচল। তেমনই এক আপসহীন ও ত্যাগের প্রতীক যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ জামির হোসেন।
বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন বিএনপির রাজনীতি ছিল চরম দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের মুখে, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাকড়া ইউনিয়ন বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখতে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৯২ সালে বিএনপির রাজনীতিতে পদার্পণ করেন জামির হোসেন। ২০০২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ দুই দশক তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক হিসেবে। ২০০৭ সালের ১/১১-এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত—বিএনপির ইতিহাসের অন্যতম কঠিন সময়ে ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কর্মকাণ্ডের হাল ধরেছিলেন তিনি।
এমনকি বাকড়া ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় কার্যালয়টিও তার নিজস্ব জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। প্রথম দিন থেকেই অফিস পরিচালনার যাবতীয় ব্যয়ভার ও রক্ষণাবেক্ষণ তিনি নিজ দায়িত্বে বহন করে আসছেন।
দলের প্রতি এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসার খেসারত তাকে দিতে হয়েছে অনবরত রাজনৈতিক হয়রানি ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে। রাজপথে সোচ্চার থাকার কারণে তৎকালীন আওয়ামী প্রশাসনের দেওয়া ৫টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে, যার ফলে তাকে কারাবরণ করতে হয় ৪ বার।
শুধু বিএনপি করার অপরাধে ২০১২ সালে বাকড়া ইউনিয়ন যুবলীগের স্থানীয় এক নেতা বাকড়া বাজারের প্রাণকেন্দ্রে জামির হোসেনের মালিকানাধীন প্রায় ১ বিঘা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে নেয়, যা তিনি আজও উদ্ধার করতে পারেননি।
বিগত ১৭ বছরের ত্যাগ ও কর্মীদের বিপদে-আপদে পাশে থাকার মধ্য দিয়েই তিনি জয় করে নিয়েছেন বাকড়া ইউনিয়নের সাধারণ নেতা-কর্মীদের মন। সম্প্রতি ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলে তৃণমূলের সর্বসম্মত সমর্থনে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।
গত ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও ব্যক্তিগত স্বার্থকে দূরে ঠেলে ইউনিয়ন বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত করার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

রাজনীতির পাশাপাশি একজন সমাজসেবক হিসেবেও এলাকায় জামির হোসেনের ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এলাকার স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠনে সক্রিয়। তিনি বাকড়া বাজার সমিতির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সদস্য এবং বাকড়া কপোতাক্ষ ক্রীড়া চক্রের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষণে জানা যায়, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন নিশ্চিত পরাজয় ও শারীরিক অত্যাচারের ভয়ে অনেকেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চাননি, তখন দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুই-দুই বার বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন জামির হোসেন।
তৃণমূলের দাবি, যিনি দলের দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের তাণ্ডবের মুখেও বিএনপির পতাকা সমুন্নত রেখেছেন, আজ দল ভালো অবস্থানে থাকায় তাকেই চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া উচিত।
বাকড়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক জনাব সাইফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, “জামির ভাই একজন অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। বিগত ১৭ বছর ধরে এই ইউনিয়নে বিএনপির রাজনীতিকে তিনিই বাঁচিয়ে রেখেছেন। উনার বিকল্প যোগ্য প্রার্থী এই ইউনিয়নে দ্বিতীয় কেউ নেই।”
ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জনাব সাইফুজ্জামান মিটু বলেন, “জামির ভাই একজন সত্যিকারের কর্মী বান্ধব মানুষ, রাজনীতি পাগল মানুষ। উনার মতো আদর্শবান ত্যাগী নেতাকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দিলে সাধারণ ভোটারদের সমর্থনে তিনি রেকর্ড ভোটে বিজয়ী হবেন।”
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে মোঃ জামির হোসেন বলেন:
“গত ১৭ বছর বিএনপির একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে সাধ্যমতো দল ও মানুষের জন্য কাজ করেছি। ২০১২ সালের পর থেকে পরিবারসহ আমার ওপর দিয়ে অনেক ঝড়গেছে। তবুও দল-মত নির্বিশেষে সবার বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। পদ-পদবী আমার মূল লক্ষ্য নয়। ইউনিয়নবাসী এবং আমার প্রাণপ্রিয় সংগঠন জেলা ও উপজেলা বিএনপি যদি চায়, তবেই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হব।”
নিজের লক্ষ্য ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন:
“আল্লাহ্ যদি আমাকে তৌফিক দেন এবং আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, তবে এই ইউনিয়নের প্রধান অভিশাপ মাদক, চোরাচালান এবং দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা রাস্তাঘাটের দুর্ভোগ চিরতরে মুছে দেব। আগামী ২ বছরের মধ্যে বাকড়া ইউনিয়নকে একটি মডেল ও আদর্শ ইউনিয়নে রূপান্তর করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।”
দীর্ঘদিনের ত্যাগ, আনুগত্য এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় বাকড়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ও বিএনপির সাধারণ সমর্থকরা চায় আগামী নির্বাচনে মোঃ জামির হোসেনকেই বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে। এলাকার মানুষের মতে, বিগত দিনের অন্যায়-অবিচারের জবাব দিতে এবং জামির হোসেনের ত্যাগের ঋণ পরিশোধ করতেই সাধারণ জনগণ তাকে বিপুল ভোটে জয়ী করতে উন্মুখ হয়ে আছে।

Tag :
About Author Information

Popular Post

বিএডিসি’র যুগ্মনিয়ন্ত্রককে সাময়িক বরখাস্তের হুমকি: কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ

রাজনীতিতে ত্যাগের মহিমা: বাকড়া ইউনিয়নে দলের ‘সংগ্রামের কান্ডারী’ জামির হোসেনের গল্প

Update Time : 07:35 pm, Saturday, 19 September 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিকরগাছা (যশোর):

রাজনীতিতে কিছু মানুষ থাকেন, যারা ক্ষমতার আলোর চেয়ে দলীয় সংকটের অন্ধকারেই বেশি জ্বলে ওঠেন। সুসময়ে সুফলভোগীদের ভিড়ে তাদের হয়তো প্রচারের আলো কিছুটা আড়ালে পড়ে, কিন্তু দলের নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে তারা থাকেন হিমালয়ের মতো অবিচল। তেমনই এক আপসহীন ও ত্যাগের প্রতীক যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ জামির হোসেন।
বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন বিএনপির রাজনীতি ছিল চরম দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের মুখে, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাকড়া ইউনিয়ন বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখতে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৯২ সালে বিএনপির রাজনীতিতে পদার্পণ করেন জামির হোসেন। ২০০২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ দুই দশক তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক হিসেবে। ২০০৭ সালের ১/১১-এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত—বিএনপির ইতিহাসের অন্যতম কঠিন সময়ে ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কর্মকাণ্ডের হাল ধরেছিলেন তিনি।
এমনকি বাকড়া ইউনিয়নে বিএনপির দলীয় কার্যালয়টিও তার নিজস্ব জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। প্রথম দিন থেকেই অফিস পরিচালনার যাবতীয় ব্যয়ভার ও রক্ষণাবেক্ষণ তিনি নিজ দায়িত্বে বহন করে আসছেন।
দলের প্রতি এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসার খেসারত তাকে দিতে হয়েছে অনবরত রাজনৈতিক হয়রানি ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে। রাজপথে সোচ্চার থাকার কারণে তৎকালীন আওয়ামী প্রশাসনের দেওয়া ৫টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে, যার ফলে তাকে কারাবরণ করতে হয় ৪ বার।
শুধু বিএনপি করার অপরাধে ২০১২ সালে বাকড়া ইউনিয়ন যুবলীগের স্থানীয় এক নেতা বাকড়া বাজারের প্রাণকেন্দ্রে জামির হোসেনের মালিকানাধীন প্রায় ১ বিঘা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে নেয়, যা তিনি আজও উদ্ধার করতে পারেননি।
বিগত ১৭ বছরের ত্যাগ ও কর্মীদের বিপদে-আপদে পাশে থাকার মধ্য দিয়েই তিনি জয় করে নিয়েছেন বাকড়া ইউনিয়নের সাধারণ নেতা-কর্মীদের মন। সম্প্রতি ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলে তৃণমূলের সর্বসম্মত সমর্থনে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।
গত ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও ব্যক্তিগত স্বার্থকে দূরে ঠেলে ইউনিয়ন বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত করার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

রাজনীতির পাশাপাশি একজন সমাজসেবক হিসেবেও এলাকায় জামির হোসেনের ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এলাকার স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠনে সক্রিয়। তিনি বাকড়া বাজার সমিতির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সদস্য এবং বাকড়া কপোতাক্ষ ক্রীড়া চক্রের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষণে জানা যায়, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন নিশ্চিত পরাজয় ও শারীরিক অত্যাচারের ভয়ে অনেকেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চাননি, তখন দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুই-দুই বার বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন জামির হোসেন।
তৃণমূলের দাবি, যিনি দলের দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের তাণ্ডবের মুখেও বিএনপির পতাকা সমুন্নত রেখেছেন, আজ দল ভালো অবস্থানে থাকায় তাকেই চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া উচিত।
বাকড়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক জনাব সাইফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, “জামির ভাই একজন অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। বিগত ১৭ বছর ধরে এই ইউনিয়নে বিএনপির রাজনীতিকে তিনিই বাঁচিয়ে রেখেছেন। উনার বিকল্প যোগ্য প্রার্থী এই ইউনিয়নে দ্বিতীয় কেউ নেই।”
ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জনাব সাইফুজ্জামান মিটু বলেন, “জামির ভাই একজন সত্যিকারের কর্মী বান্ধব মানুষ, রাজনীতি পাগল মানুষ। উনার মতো আদর্শবান ত্যাগী নেতাকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দিলে সাধারণ ভোটারদের সমর্থনে তিনি রেকর্ড ভোটে বিজয়ী হবেন।”
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে মোঃ জামির হোসেন বলেন:
“গত ১৭ বছর বিএনপির একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে সাধ্যমতো দল ও মানুষের জন্য কাজ করেছি। ২০১২ সালের পর থেকে পরিবারসহ আমার ওপর দিয়ে অনেক ঝড়গেছে। তবুও দল-মত নির্বিশেষে সবার বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। পদ-পদবী আমার মূল লক্ষ্য নয়। ইউনিয়নবাসী এবং আমার প্রাণপ্রিয় সংগঠন জেলা ও উপজেলা বিএনপি যদি চায়, তবেই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হব।”
নিজের লক্ষ্য ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন:
“আল্লাহ্ যদি আমাকে তৌফিক দেন এবং আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, তবে এই ইউনিয়নের প্রধান অভিশাপ মাদক, চোরাচালান এবং দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা রাস্তাঘাটের দুর্ভোগ চিরতরে মুছে দেব। আগামী ২ বছরের মধ্যে বাকড়া ইউনিয়নকে একটি মডেল ও আদর্শ ইউনিয়নে রূপান্তর করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।”
দীর্ঘদিনের ত্যাগ, আনুগত্য এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় বাকড়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ও বিএনপির সাধারণ সমর্থকরা চায় আগামী নির্বাচনে মোঃ জামির হোসেনকেই বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে। এলাকার মানুষের মতে, বিগত দিনের অন্যায়-অবিচারের জবাব দিতে এবং জামির হোসেনের ত্যাগের ঋণ পরিশোধ করতেই সাধারণ জনগণ তাকে বিপুল ভোটে জয়ী করতে উন্মুখ হয়ে আছে।